মেনু নির্বাচন করুন

পূর্ববর্তী মামলাররায়

বরাবর,

চেয়ারম‌্যান

গ্রাম আদালত

বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ

সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী

বাদীঃ- মোঃ কপিল উদ্দিন সুমন, পিতাঃ- মৃত আবুল কালাম, সাং-মকিল‌্যা,  সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী।

 

বিবাদীঃ-  ১। মোঃ ইউছুপ,  পিতাঃ- মৃত আবদুল মালেক  , সাং-মকিল‌্যা, সোনা্ি নোয়াখালী।

            ২। আবদুর রহিম, পিতাঃ-  আবদুল হাই  , সাং- মকিল‌্যা, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী।

 

যেহেতু বিবাদীদ্বয়ের বিরুদ্ধে বাদীর অত্র থানায় লিখিত অভিযোগের হাওলা তদন্ত কর্মকর্তা আপনার ধার্য্য বিগত ২৬/১১/২০১৪ইং তারিখে পক্ষদ্বয় ও তাদের আমন্ত্রিত ও মানীত অত্র পাশে ও নিম্নে স্বাক্ষর কারীগন আপনার সাক্ষাতে  অভিযোগ শুনানী বৈঠকে মিলিত হই । সর্বশেষ পক্ষদ্বয়ের ওয়ার্ড মেম্বার নিম্নে স্বাক্ষর কারীর নেতৃত্বে পক্ষদ্বয়ের মানীত নিজ নিজ শালিশদার বৈঠকে বিরোধ স্থানীয় ভাবে মীমাংশা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেন। পরবর্তী বিগত ০২/১২/১৪ইং , ১০/১২/১৪ইং, ২৬/১২/১৪ইং , ১১/০১/১৫ইং , ০২/০২/১৫ইং তারিখ সমূহে পরপর ৫দিন পাশে স্বাক্ষরিত ২/৪/৬নং বাদীর,  ১/৩/৫নং ১নং বিবাদীর এবং ৭নং ২নং বিবাদীর মানীত আরো স্থানীয় মান্যগন্য শালিশদার ও পক্ষগন উপস্থিতিতে বাদীর বসত ঘরের আংগীনায় শালিশ বৈঠকে মিলিত হই।   

  সূচনা-  বৈঠকের শুরুতে বাদী বিজবাগ মৌজার ৫৪৩, ৯৪৮ এবং বালিয়াকান্দী মৌজার ৬০০নং বিএস খতিয়ান শালীশে দাখিল করতঃ মৌখিক বলেন যে,  তার দাদা মাষ্টার মজির উদ্দিন মালিকীয় ৫৪৩নং বিএস খতিয়ানের ৬২শতাংশ ভুমি তুলাংশে বাদী ও তার চাচা আবদুল ওহাব কে  মৌখিক দান ও খতিয়ান করিয়া দিয়া যান। উক্ত ৬২শতাংশ আন্দরে তার ভ্রাতা জামাল উদ্দিন লিটনের বিক্রি তাহা ২নং বিবাদীর বিগত ১৮/০৭/২০১৩ইং তারিখে ৪০৭৬নং দলিলে খরিদ তাহা ভায়া ১নং বিবাদীর খরিদ ১২শতাংশ ক্রয় – বিক্রয় অশুদ্ধ অবৈধ । খতিয়ান মূলে আমরা রেকর্ডীয় প্রজাদ্বয়ের  মালিকানা বহাল বলবৎ হইবে। তাহা ছাড়া বিবাদীদের দলিলের লিখা দাগাদীর দখল সামাঞ্জস্য নাথাকায় মাষ্টার মজির উদ্দিনের মালিকানা বহিঃর্ভুত ১৭৪২দাগ লিখা হওয়াই দাগের পরায়েজ মতে দখল না লিখায় দাতার বিক্রি বিবাদীদ্বয়ের খরিদ বহাল বলবৎ হইবেনা ইত্যাদী কারনে বিবাদী দ্বয়ের মালিকানা ও ভোগ দখল প্রতিরোধ কল্পে বাদী বিবাদীদের বিরুদ্ধে অত্রাকারে এবং আদালতে মামলা আনয়ন করে। তবে শালিশে বিবাদীদের বিরুদ্ধে বাদী কোন ফৌজদারী ঘটনার কার্যবিবরনী ও স্বাক্ষ্য প্রমান উপস্থাপন করেন নাই।

 জিজ্ঞাসায় বাদী স্বীকার করেন যে, ৫৪৩নং বিএস খতিয়ানের সমর্থনে কোন স্বত্ব মালিকানা পাওয়ার দলিল নাই।

 

বাদীর দাবীর পক্ষে বিপক্ষে শালিশদার গন সর্বসম্মত হইতে ব্যার্থ হয়। পক্ষ এবং শালিশদার গন বিজ্ঞ আইনজীবির মতামত মানিয়া নিবেন প্রতিশ্রুতি মর্মে বাদীর পচন্দনীয় বিজ্ঞ আইনজীবি জনাব  মোঃ নাজমুল হক সাহেব নোয়াখালী জজ কোর্টের নিকট যাই । উনার লিখিত মতামত এই যে, তিনটি বিএস খতিয়ানের ভূমি মাষ্টার মজির উদ্দিন মর্মে তাদের মোট ভুমি (৬২+৬৯+২১০)= ৩৪১শতাংশ তাহা হইতে (৩৬+১৭)= ৫৩বিক্রি বাদ , অবশিষ্ট ২৮৮শতাংশ ত্যাজ্যে  মাষ্টার মজির উদ্দিন ও তৎ স্ত্রী মৃত্যু কালে ৩পুত্র আবুল কাশেম , আবুল কালাম , আবদুল ওহাব এবং ২মেয়ে রেজিয়া বেগম ও বিবি আক্তার কে ওয়ারিশ রাখিয়া যান । ইহাতে ৩পুত্র প্রত্যেকে ৭২শতাংশ এবং ২কন্যা প্রত্যেকে ৩৬শতাংশ হিস্যা হারে মালিক হয় ।

 

আবুল কাশেম , আবুল কালাম , আবদুল ওহাব ৩ভাই বর্তমান ভবিষৎ চিন্তা করিয়া প্রত্যেকে হিস্যা ৭২শতাংশ হারে আপোষ সমঝোতায় নিজ নিজ চিহ্নিত সীমানা এবং ২বোনের হিস্যা অপর চিহ্নিত ৭২শতাংশ ৩ভাই তুলাংশে ২৪শতাংশ হারে বোনদের আমানত হিসাবে চিহ্নিত সীমানায়  ভোগ দখল করে । কাশেম ও কালাম নিজ নিজ হিস্যাংশে এবং ওহাব হিস্যাংশের ৭২শতাংশ আন্দরে ৬২শতাংশ বিভিন্ন পক্ষের নিকট বিক্রি করে নিজ খরিদ ভুমিতে ভিন্ন ভিন্ন বাড়ী নির্মাণ করতঃ বসবাসরত ও ভোগ দখল আছে ।

 

আবুল কালাম নিজ হিস্যাংশে ৭২শতাংশ ২বোনের আমানত        অংশে ২৪ শতাংশ  ভোগ দখল ত্যাজ্যে অত্র বাদী ও জামাল উদ্দিন লিটন ২পুত্রকে ওয়ারিশ রাখিয়া যান। ইহাতে ৭২শতাংশ আন্দরে তুলাংশে জামাল উদ্দিন লিটন ৩৬শতাংশ মালিক । প্রকাশ থাকে যে, জামাল উদ্দিন লিটনের শিশু সময়ে পিতার তালাক প্রাপ্তে মাতার ২য় বিবাহের কারনে প্রতিবেশী সাকায়েত উল্যার পালক পুত্র হিসাবে বর্তমানে তার বাড়ী ঘরে আছে । ইতি মধ্যে উক্ত সাকায়েত উল্যার ঔরশের কন্যা অত্র বাদী কপিল উদ্দিন সুমন বিবাহ করে। চাচা আবদুল ওহাব ও তার পরিবার প্রবাশে থাকায় পিতার এবং প্রবাসী চাচার সমদ্বয় সম্পত্তির তত্বাবধায়ক ভোগদখল কারী হিসাবে কপিল উদ্দিন সুমনের জিম্বায়  আছে।

 

বিগত ১৯/০৮/২০১৩ইং তারিখে জামাল উদ্দিন লিটন দাতা শীষক ৪৪৭২নং কবলায় ১নং সম্পত্তি বিএস ৯৪৮ নং খতিয়ানের এবং ২নং সম্পত্তির বিএস ৬০০নং খতিয়ানের মালিক মজির উদ্দিনের ওয়ারিশ সুত্রে দখল ৯৪৮ খতিয়ানের হাল ২৯৯২দাগে ১২শতাংশ গ্রহীতা কপিল উদ্দিন সুমনের নিকট বিক্রি করেন। বিগত ১৮/০৭/২০১৩ইং তারিখে দাতা জামাল উদ্দিন লিটন ৪০৭৬নং কবলায় লিখিত মতে ৫৪৩নং খতিয়ানের ভূমির মালিক মজির উদ্দিন ওয়ারিশ সূত্রে ভ্রাতা কপিল উদ্দিনের সহিত মৌখিক আপোষ বন্টনে মালিক এবং ৫৪৩নং খতিয়ান সাবেক ১৫৪০দাগ হাল ২৯৮৩দাগে ১২শতাংশ দখল দেওয়া হইয়াছে মর্মে উল্লেখ্য করা হইয়াছে। দলিলে অংকিত নকশাতে সাবেক  ১৫৪০দাগ অংকন করা হইয়াছে মর্মে আবদুর রহিমের নিকট বিক্রি করেন। বিগত ০৭/০৮/২০১৪ইং তারিখ দাতা আবদুর রহিম শীর্ষক উপরোক্ত ভুমি বিক্রির ৪৯৫০নং কবলার হাল ৫৪৩খতিয়ানের ২৯৮৩দাগ সাবেক ১৫৪০দাগ মালিক ছিলেন মজির উদ্দিন, ওয়ারিশ সূত্রে ভ্রাতা

 

 

 

 

কপিল উদ্দিনের সহিত আপোষ বন্টনে মালিক উল্লেখ্যে বিক্রি করে। উক্ত দলিলে ৩২৪নং জমাখারিজ খতিয়ান উল্লেখ্য থাকিলেও দাতা আবদুর রহিমের নাম খতিয়ানে উল্লেখ্য নাই । দলিল অনুযায়ী ৫৪৩নং খতিয়ানের ২৯৮৩নং দাগের ভুমী বিক্রিত । সদর সিনিয়র সহকারি জজ আদালতের ২০১৩ইং সনের ৪৫৮নং দেওয়ানী মোকর্দ্দমার আর্জিতে জামাল উদ্দিন লিটন কে পালক দেওয়া হয় উল্লেখ্য আছে। সুতরাং আবদুল ওহাব ও কপিল উদ্দিনের নামে ৫৪৩ নং খতিয়ান মজির উদ্দিন রেকর্ড করাইয়া দেওয়ার কো বৈধ কারন থকতে পারেনা। উক্ত খতিয়ানের ভুমি মজির উদ্দিনের ভূমি হিসাবে বিবেচিত হইবে মর্মে  গ্রহীতা মোহাম্মদ ইউছুপ দলিলে উল্লেখ্যিত সাবেক ১৫৪০দাগ হাল ২৯৮৩দাগে স্বত্ব দখল পাইবে ।   

 

 

সর্বসম্মত শালিশী সিদ্ধান্তঃ

 

                 ২নং বিবাদী আবদুর রহিম দাতা ১নং বিবাদী মোঃ ইউছুপ গ্রহীতা শীর্ষক ৪৯৫০নং দলিলের উল্লেখ্যিত সাবেক ১৫৪০দাগ হাল ২৯৮৩দাগের আন্দরে ১২শতাংশ গ্রহীতা স্বত্ববান ও ভোগ দখল পাইবে । বর্নিত সিদ্ধান্ত মানিয়া পক্ষদ্বয় সহি স্বাক্ষর করেন।  

 

সর্বশেষ সভাপতি সাহেব সকলকে ধন্যবাদ জানিয়া শালিশ সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

 

তাং- 

  

 

 

 

 

 

লিখকঃ

  

তাং-

 

 

 

       
 

সংযুক্তিঃ

আইনজীবির মতামত

 

সত্যপাঠে 

  

 

 

 

 

 

 

চেয়ারম্যান

৮নং বিজবাগ, সেনবাগ, নোয়াখালী।

 

 

 

 

 

 

 

অনুলিপি দেওয়া গেলঃ

১। কপিল উদ্দিন সুমন , বাদী

২। মোঃ ইউছুপ , ১নং বিবাদী

৩। আবদুর রহিম, ২নং বিবাদী